ভিন্ন মোড়কে ফেরার চেষ্টা লাইসেন্স বাতিল হওয়া ২৩ প্রতিষ্ঠানের
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ২৩টি শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর লাইসেন্স দিয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। শত বাধা, আপত্তি এমনকি উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সব লাইসেন্স তুলে দেওয়া হয়েছিল বিগত সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, মন্ত্রীর স্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে।
সরকারের পটপরিবর্তনের পর সবকটি লাইসেন্স বাতিল করায় বিদ্যমান অপারেটরদের মধ্যে ফিরেছিল স্বস্তি। কিন্তু সম্প্রতি আবারও টেন্ডারহীনভাবে শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর লাইসেন্স বাগিয়ে নিতে বা বাতিল হওয়া লাইসেন্স ফিরে পেতে তৎপর হয়ে উঠেছে একটি পক্ষ।
এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এমএ লতিফের ব্যবসায়িক অংশীদার হিসাবে থাকা মেসার্স ডিভি আবদুল আজিজ অ্যান্ড কোম্পানিকে লাইসেন্স প্রদান করেছে চবক! একইভাবে মেসার্স এমএন মিয়া অ্যান্ড সন্স নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানকেও লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর এ কারণে শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরদের মধ্যে নতুন করে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
বিদ্যমান শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটররা বন্দরের এমন সিদ্ধান্ত বা উদ্যোগকে ‘নজিরবিহীন’ ও এবং বিগত সরকারের ‘পদাঙ্ক অনুসরণ’ করার মতোই ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন। তারা বলছেন, অতীতের ফ্যাসিবাদের অনুসারীরাই নতুন করে ভিন্ন মোড়কে বন্দরে পুনর্বাসিত হওয়ার চেষ্টা করছে। তারা টেন্ডারবিহীন বা দরখাস্ত আহ্বান ছাড়া কোনো ধরনের লাইসেন্স না দেওয়ার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন।