শাক-সবজি থেকে বেশি পুষ্টি পেতে যা করণীয়।

 

শাক-সবজি ভিটামিন ও খনিজের চমৎকার উৎস। এই ভিটামিন ও মিনারেলগুলো সঠিক পদ্ধতি মেনে রান্না না করা হলে অপচয় হতে পারে, সে জন্য শাক-সবজি রান্না করতে প্রয়োজন সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সঠিক রান্নার পদ্ধতি।

করণীয়

♦ সবজি যতটা সম্ভব টাটকা অবস্থায় খাওয়া উচিত। সংরক্ষিত শাক-সবজির পুষ্টিমান সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে।

♦ শাক-সবজি সব সময় কাটার আগে ধুয়ে নিতে হবে। কেটে ধোয়া ঠিক নয়, এতে পানির সঙ্গে পুষ্টি বের হয়ে যায়।

♦ বিশেষ কোনো রান্নায় প্রয়োজন ছাড়া সবজি বড় বড় টুকরা করে কাটা উচিত।

♦ অতিরিক্ত পানিতে নয়, শাকের পানিতেই শাক সিদ্ধ করা উচিত।

♦ যতটা সম্ভব সবজি খোসাসহ কাটতে হবে বা খোসা পাতলা করে ছিলতে হবে, কেননা খোসার নিচেই অনেক ভিটামিন ও মিনারেল থাকে।

♦ গাজর, শসা, ক্ষীরা, বিট, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, টমেটো—এগুলো রান্না না করে সালাদ আকারে খাওয়াই ভালো।

♦ শাক-সবজি যতটুকু সম্ভব কম সিদ্ধ করবেন, কেননা সবজি অতিরিক্ত গলে গেলে এর পুষ্টিমানের অপচয় হয়।

♦ রান্নার সময় পাত্রের ঢাকনা এমনভাবে দিয়ে রাখতে হবে যেন বাইরে থেকে কোনো বাতাস পাত্রের ভেতরে ঢুকতে না পারে।

♦ শাক-সবজি সিদ্ধ করে পানি ফেলা যাবে না। যদি রান্নার প্রয়োজনে সিদ্ধ করে নিতে হয়, তাহলে অল্প পানি দিয়ে সবজি সিদ্ধ করে সে পানি শুকিয়ে নিতে হবে বা ভাপিয়ে নিতে হবে।

♦ মৃদু তাপে রান্না করতে হবে, এতে পুষ্টিমানের অপচয় কম হয়।

♦ শাক-সবজি রান্নার পর দ্রুত সময়ে পরিবেশন করা উচিত।

♦ শাক-সবজি রান্নার সময় অল্প পরিমাণে তেল ব্যবহার করতে হবে।

অতিরিক্ত তেলের ব্যবহার স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে, আর একেবারে তেল ব্যবহার না করলে শাক-সবজিতে থাকা চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিনগুলো সঠিকভাবে শরীরের কাজে লাগবে না।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.